টি–টোয়েন্টির ‘এক নম্বর’ পাকিস্তান

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটা উদ্‌যাপনের উপলক্ষই হয়ে উঠল পাকিস্তানের জন্য। ম্যাচটা ১৮ রানে জিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নেওয়ার পাশাপাশি আইসিসির টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটা নিজেদের করে নিয়েছে তারা। ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও হারের মুখ দেখা পাকিস্তান দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই। টানা দুই ম্যাচ জিতে হারতে হারতে ক্লান্ত সেই দলটাই এখন অন্য রকম।

ব্যাটিংটাই নিউজিল্যান্ড সফরে ভোগাচ্ছিল পাকিস্তানকে। আবার সেই ব্যাটিংয়ের জন্যই টি-টোয়েন্টি সিরিজটা নিজেদের করতে পেরেছে সরফরাজ আহমেদের দল। গত ম্যাচে দুই শ করা পাকিস্তান আজ তৃতীয় ম্যাচেও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮১ রান স্কোরবোর্ডে তুলে নিউজিল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল। নির্দিষ্ট কেউ নন, প্রায় সব ব্যাটসম্যানই কিছু না কিছু অবদান রেখেছেন। কেউই ফিফটি পাননি। সর্বোচ্চ সংগ্রহ ওপেনার ফখর জামানের—৪৬।

৩৬ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংসটির পাশাপাশি সর্বোচ্চ রান অধিনায়ক সরফরাজের—২৯। এ ছাড়া উমর আমিনের ২১, হারিস সোহেলের ২০ আহমেদ শেহজাদের ১৯, বাবর আজমের ১৮ রানের কয়েকটি ছোট অথচ কার্যকর ইনিংসে পাকিস্তানের সংগ্রহটা ১৮১-তে উঠে যায়। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন ইশ সোধি ও মিচেল স্যান্টনার। এ ছাড়া ট্রেন্ট বোল্ট ও কলিন ডি গ্রান্ডহোম পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩২ রানে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে হারায় নিউজিল্যান্ড। ৮২ রানে ফেরেন অনারু কিচেন। মার্টিন গাপটিলের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৫৯ (৪৩ বলে, ২টি চার ও ৪টি ছক্কায়)। এ ছাড়া রস টেলর করেন ২৫, স্যান্টনার ২৪ ও কিচেন ১৬। টম ব্রুস করেন ২২। নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল, বেড়ে চলা রান রেটের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারা। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানি বোলারদের কৃতিত্ব অবশ্যই। লেগ স্পিনার শাদাব খান ছিলেন অনবদ্য—৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট পেয়েছেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন আমির ইয়ামিন, রুম্মান রইস, মোহাম্মদ আমির ও ফাহিম আশরাফ।